হিফজ বিভাগের রুটিন

হিফজ বিভাগ

একদল যোগ্য, একনিষ্ঠ হাফেজে কুরআনের মাধ্যমে পরিচালিত এ বিভাগে নাজেরা থেকে উত্তীর্ণদের অতি অল্প সময়ে তারতিলের সাথে কুরআনে কারিম হিফজ করানো হয়। প্রতিজন শিক্ষক সর্বোচ্চ ১৮ থেকে ২০ জন ছাত্রের দায়িত্বশীল হন। স্নেহ, মায়া-মমতার মাধ্যমে প্রতিটি ছাত্রকে অতি অল্প সময়ে কুরআনে কারিমের হিফজ সম্পন্ন করার জন্য অভিনব ও আধুনিক কলাকৌশল অবলম্বন করেন তাঁরা। মারকাযের পক্ষ থেকেও তাদেরকে সুন্দর পরিবেশ দেওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হয়। নির্ধারিত সময়ে নির্ধারিত কাজ সম্পাদন করা ও সময়কে কাজে লাগানোর জন্যও রয়েছে নির্ধারিত সময় যার ব্যতিক্রম করার কোনো সুযোগ নেই। ইয়াদ ও সহিহ-শুদ্ধ তেলাওয়াতের সাথে রয়েছে পরিকল্পিত রুটিন। সে রুটিন অনুযায়ী অতিবাহিত হয় তাদের দিন-রাত। অভিভাবকবৃন্দের সাক্ষাতের সাথে সুন্দর লাহানের প্রতিও বিশেষ যত্ন নেওয়া হয়। আর এর জন্য ভিন্নভাবে মশক করানো ও আন্তর্জাতিক মানের হাফেজ ও কারীদের তেলাওয়াত শোনার সুব্যবস্থা রয়েছে। তবে ছাত্ররা যেন প্রতিযোগিতামুখী হয়ে হিফজের পরে হক্কানী আলেম হওয়ার আগ্রহ হারিয়ে না ফেলে, সে দিকে সজাগ দৃষ্টি রাখা হয়। পড়াশোনার পাশাপাশি আমল-আখলাক, উন্নত চরিত্র ও সঠিক চিন্তা-চেতনা সৃষ্টির জন্য তারবিয়তি আলোচনা অব্যাহত রাখা হয়। তাহাজ্জুদ, ইশরাক, আওয়াবিনসহ সুন্নত ও নফল নামাজে ইয়াদকৃত অংশ পড়ার জোর তাগিদ দেওয়া হয়।

হিফজ বিভাগের রুটিন

ফজরের নামাজের ১ঘন্টা ২০মি. পূর্বে ঘুম থেকে নতুন সবক আদায়।
বাদ ফজর ১০মিনিট শরীর চর্চা।
তারপর ৭:৪৫ পর্যন্ত সাত সবক আদায়।
৮:১৫ থেকে ৯:৩০ পর্যন্ত আমুখতা ইয়াদ তবে এ সময়ে হাফেজ ছাত্ররা ইয়াদকৃত পারা শুনাবে।
৯:৩০ থেকে ১০:০০ পর্যন্ত মশক।
১০:০০ থেকে ১২:৩০ পর্যন্ত গোসল ও ঘুম।
১২:৩০ থেকে ১:৩০ পর্যন্ত আমুখতা ইয়াদ।
১:৩০ থেকে ২:৩০ পর্যন্ত দুপুরের খাবার ও যোহরের নামাজ আদায়।
২:৩০ থেকে আছরের নামাজের ১০মি. পূর্ব পর্যন্ত আমুখতা আদায়, তিলাওয়াত ও নতুন সবকের নাজেরা।
আছর থেকে মাগরিবের ১৫মি. পূর্ব পর্যন্ত খেলাধুলা।
মাগরিব থেকে ৮:৫০মি. পর্যন্ত নতুন সবক ইয়াদ তবে এ সময়ে হাফেজ ছাত্ররা ইয়াদকৃত পারা শুনাবে।
৮:৫০ থেকে ৯:৪৫ পর্যন্ত রাতের খাবার ও এশার নামাজ আদায়।
৯:৪৫ – ১০:১৫ টা পর্যন্ত নামাজে তেলাওয়াত বাধ্যতামূলক।
১০:১৫ রাতের ঘুম।