প্রতিষ্ঠার ইতিহাস
২০১১ সালে সর্বপ্রথম সাভারের ঐতিহাসিক রানা প্লাজার নিকটস্থ একটি ভবনে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়। তারপর শাহীবাগস্ত চাপাইন নামক স্থানে একটি টিনশেড সংলগ্ন প্রতিষ্ঠানটি স্থানান্তরিত হয়। পরবর্তীতে তার সঙ্গেই পানির ডোবা ও নর্দমাতে ৮০০০ ট্রাক বালু ভরাট করে নিজস্ব ভূমির উপর “কাসেমী ভবন” এর নির্মাণ কাজ আরম্ভ হয়। প্রতিনিয়ত ছাত্র সংখ্যা বৃদ্ধির কারনে নির্মাণাধিন ভবনটি বৃদ্ধি হতে হতে এখন আলহামদুলিল্লাহ ৪ তলা বিশিষ্ট একটি ভবনে পরিণত হয়েছে। অত্র ভবনের নির্মাণের পর পরই একটি মাসজিদের প্রয়োজন হওয়াতে সাথেই দৃষ্টিনন্দন “মাসজিদ আর রহমানের” কাজ শুরু হয়। এখন আলহামদুলিল্লাহ এই মাসজিদটি ২ তলা বিশিষ্ট এক বিশাল দৃষ্টিনন্দন মাসজিদে রুপান্তরিত হয়েছে। যার একতলাতে একত্রে প্রায় ৮০০ মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারে। বর্তমানে মাসজিদটির ৩য় তলা ও সুবিশাল মিনার নির্মাণাধীন। প্রতিনিয়ত ছাত্র সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাওয়াতে কাসেমী ভবনের পশ্চিম পার্শে “দারুল কুরআন” ভবনের নির্মাণ কাজ আরম্ভ হয়। এখন আলহামদুলিল্লাহ দারুল কুরআন ভবনও ৩ তলা বিশিষ্ট।
আলহামদুলিল্লাহ, ছুম্মা আলহামদুলিল্লাহ। সকলের দুআ কান্নাকাটি, নেক নজর, চেষ্টা প্রচেষ্টায়, সর্ব ধরনের সহায়তার মাধ্যমে হাজারো বাধা বিপত্তির মুকাবেলা করে কাসেমী নগরে ৪ তলা বিশিষ্ট কাসেমী ভবন, ৩ তলা বিশিষ্ট দারুল কুরআন ভবন, ২ তলা বিশিষ্ট মাসজিদ আর রহমান যেন সারা বিশ্বের কাছে সুনাম ও সুখ্যাতির সাথে স্বগৌরবে মাথা উচু করে দাড়িয়ে আছে।
চলমান প্রকল্প
•কাসেমী ভবনের সাথে জমি ক্রয় করে নির্মাণাধীন ১০০০০ মানুষ ধারণকৃত “মাদানী মসজিদ” নামক ৬ তলা বিশিষ্ট বহুতল মসজিদ নির্মাণ কাজ চলছে।
